Free Webinar On অ্যাপ ডেভেলপমেন্টে স্টেট ম্যানেজমেন্টের গুরুত্ব
Free Webinar On অ্যাপ ডেভেলপমেন্টে স্টেট ম্যানেজমেন্টের গুরুত্ব
Live class
60 mins
একটা অ্যাপ কেমন পারফর্ম করবে, ইউজার কতটা স্মুথলি স্ক্রল করতে পারবে, আর ডেটা কেমনভাবে লোড হবে সবকিছুই ডিপেন্ড করে স্টেট ম্যানেজমেন্টের উপর। আর আপনি যদি ফিউচার-প্রুফ অ্যাপ ডেভেলপার হতে চান, তাহলে স্টেট ম্যানেজমেন্ট শেখটা অপশনাল না এসেনশিয়াল। শেখার জার্নির শুরুটা হোক এই ফ্রি ওয়েবিনারটি দিয়েই।
রবিবার, ১৭ আগস্ট
বিকাল ৩:০০
ZOOM (Virtual)(Ended)
Free Webinar On অ্যাপ ডেভেলপমেন্টে স্টেট ম্যানেজমেন্টের গুরুত্ব
Watch past session
এই ফ্রি ওয়েবিনারে আপনি শিখবেন:
স্টেট ম্যানেজমেন্ট আসলে কী?
অ্যাপ স্লো হওয়ার পেছনের মূল কারণ
Provider vs BLoC vs Riverpod: কোনটি কোন জায়গায় ব্যবহার করবেন
বাস্তব অ্যাপ ডেভেলপমেন্টে পারফরমেন্স ইমপ্রুভ করার প্র্যাকটিক্যাল টিপস
আর কনফিউশন যে স্টেজেই থাকুক না কেন সল্যুশন পাবেন লাইভে ফ্রি ওয়েবিনারে!
কেন ফ্লাটার আপনার জন্য আইডিয়াল ক্যারিয়ার চয়েস?
ক্রস প্ল্যাটফর্ম অ্যাপ- সিংগেল কোডবেজ ইউজ করে মাল্টিপাল প্ল্যাটফর্মের জন্য অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের জন্য ফ্লাটার আইডিয়াল সল্যুশন।
নেটিভ পারফরম্যান্স- ক্রস প্ল্যাটফর্ম ফ্রেমওয়ার্ক হিসেবে ডার্ট ও রেন্ডারিং ইঞ্জিনের জন্য ফ্লাটার নেটিভ পারফরম্যান্স প্রভাইড করে।
প্রোডাক্টিভিটি- হট রিলোড এবং রিচ ফিচারের ইকোসিস্টেমের মতো ফিচারের কারণে ফ্লাটার ডেভেলপমেন্ট প্রসেসকে আরও ফাস্ট এবং ইফিশিয়েন্ট করে তুলে।
ডিমান্ড ও অপরচুনিটি- Supercell, ByteDance, Tencent, and Alibaba গ্রুপের মতো কোম্পানিগুলো তাদের অ্যাপ তৈরি এবং স্কেল করার জন্য শিফট হচ্ছে ফ্লাটারে।
নিউ জেনারেশন টেকনোলজি- গুগলের এই ফ্রেমওয়ার্কটি মার্কেটে -এসেছে ২০১৯-সালে। তাই নতুন হিসেবে কম্পিটিশন কম হলেও অপরচুনিটি হিউজ।
Course Blueprint
Flutter App Development Career Path (Guidelines)
Download the guidelines for FREE!
এই ফ্রি ওয়েবিনারে আপনি শিখবেন:
স্টেট ম্যানেজমেন্ট আসলে কী?
অ্যাপ স্লো হওয়ার পেছনের মূল কারণ
Provider vs BLoC vs Riverpod: কোনটি কোন জায়গায় ব্যবহার করবেন
বাস্তব অ্যাপ ডেভেলপমেন্টে পারফরমেন্স ইমপ্রুভ করার প্র্যাকটিক্যাল টিপস
আর কনফিউশন যে স্টেজেই থাকুক না কেন সল্যুশন পাবেন লাইভে ফ্রি ওয়েবিনারে!
কেন ফ্লাটার আপনার জন্য আইডিয়াল ক্যারিয়ার চয়েস?
ক্রস প্ল্যাটফর্ম অ্যাপ- সিংগেল কোডবেজ ইউজ করে মাল্টিপাল প্ল্যাটফর্মের জন্য অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের জন্য ফ্লাটার আইডিয়াল সল্যুশন।
নেটিভ পারফরম্যান্স- ক্রস প্ল্যাটফর্ম ফ্রেমওয়ার্ক হিসেবে ডার্ট ও রেন্ডারিং ইঞ্জিনের জন্য ফ্লাটার নেটিভ পারফরম্যান্স প্রভাইড করে।
প্রোডাক্টিভিটি- হট রিলোড এবং রিচ ফিচারের ইকোসিস্টেমের মতো ফিচারের কারণে ফ্লাটার ডেভেলপমেন্ট প্রসেসকে আরও ফাস্ট এবং ইফিশিয়েন্ট করে তুলে।
ডিমান্ড ও অপরচুনিটি- Supercell, ByteDance, Tencent, and Alibaba গ্রুপের মতো কোম্পানিগুলো তাদের অ্যাপ তৈরি এবং স্কেল করার জন্য শিফট হচ্ছে ফ্লাটারে।
নিউ জেনারেশন টেকনোলজি- গুগলের এই ফ্রেমওয়ার্কটি মার্কেটে -এসেছে ২০১৯-সালে। তাই নতুন হিসেবে কম্পিটিশন কম হলেও অপরচুনিটি হিউজ।